সর্বশেষ :

অ্যান্টিবায়োটিক। প্রতীকি ছবি

অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার পরও কখনও কখনও কেন রোগ ভাল হয় না

ট্রাভেলার স্বাস্থ্যকথা ডেস্ক :

শরীরে কোনো ধরনের সংক্রমণ দেখা দিলে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দেন। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার পরও কখনও কখনও রোগ ভাল হয় না। কেন হয় না, আপনি জানেন কি? তবে আসুন জেনে নেই সেই কারণগুলো –

সংক্রমণ রোধে শুধু অ্যান্টিবায়োটিক খেলেই হবে না, মানতে হবে কিছু নিয়ম কানুনও। অনেক সময় মাথা ব্যথা করলে আমরা পেইনকিলার খেয়ে বসে থাকি। কিন্তু কাজ করে না, তখন আমরা ওষুধের দোষ দেই।

কিন্তু, আসলে সমস্যাটা কোথায় সেটা আমরা জানার চেষ্টা করি না। আসল সমস্যা হচ্ছে ওষুধের সঙ্গে আমরা কিছু ভুল খাবার খেয়ে ফেলি, যে কারণে ওষুধের কার্যকারিতা হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়।

অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার সময় যে সমস্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে সেই খাবারগুলোর একটা তালিকা নিচে দেওয়া হলো :

জাম্বুরা : অ্যাসিডিটির কারণে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের সময় জাম্বুরা বা এর রস খাওয়া ঠিক নয়। কারণ যেকোনো ধরনের অ্যাসিডিক উপাদান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। এছাড়া এ সময় অন্যান্য অ্যাসিডিক ফল যেমন-কমলা, লেবু এবং এ জাতীয় ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

সোডা : সোডা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে থাকা অ্যাসিডিটি অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

কফি ও অ্যালকোহল : সোডার মতো কফিতেও প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিডিটি থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের সময় ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

অ্যান্টিবায়োটিক আর দুধ একসাথে নয় : দুধ বা দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। অ্যান্টিবায়োটিকের বিশেষ কিছু উপাদান ক্যালশিয়ামের সাথে মিশে দানা বা জট হয়ে যায়। ফলে তা পেটের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করতে পারে না। তাই অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে দুধ খাওয়া উচিত নয়। তবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার দুই ঘণ্টা আগে বা পরে দুধ পানে বাধা নেই। তবে এর মধ্যে দই ব্যতিক্রম। দই অন্ত্রের হজমশক্তি বাড়ায়।

পালং শাক : পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। এটি অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাঁধা সৃষ্টি করে।

কলিজা : গরু ও মুরগির কলিজায় প্রচুর পরিমাণে আযয়রন থাকায় অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *