সর্বশেষ :
অবাধ্য পর্যটক ঠেকাতে মাউন্ট ফুজিতে দেয়াল তুললো জাপানপর্যটন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ – ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামদুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর মৃত্যুঅবশেষে কক্সবাজার ফিরছেন সেন্টমার্টিনে আটকাপড়া পর্যটকরাবিদেশি পর্যটকদের ক্যাসিনোসহ বিনোদন নিশ্চিতের সুপারিশপর্যটকদের বিস্ময় শমশেরনগরের ক্যামেলিয়া লেকপদ্মাসেতুকে ঘিরে পর্যটন খাতে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচিপর্যটন ভবনের ছাদে রুফটপ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন করলেন পর্যটন প্রতিমন্ত্রীসেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন বিধি-নিষেধ আরোপনতুন বিমান ‘ধ্রুবতারা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে কক্সবাজার ফিরছেন সেন্টমার্টিনে আটকাপড়া পর্যটকরা

কক্সবাজার প্রতিনিধি ::

বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় দুইদিন সেন্টমার্টিনে আটকে থাকা তিন শতাধিক পর্যটক অবশেষে টেকনাফে ফিরে এসেছেন।

মঙ্গলবার সকালে একে একে ১৪টি ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরে আসেন তারা। সকাল ১১টায় ৮০ জন যাত্রী নিয়ে দুটি ট্রলার টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটে এসে পৌঁছায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ড স্টেশন কর্মকর্তা লে. তারেক আহমেদ জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় মঙ্গলবার সকাল থেকে দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছেন। এর আগে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় ভ্রমণে এসে সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েছিলেন তিন শতাধিক পর্যটক। তবে তারা যাতে ঠিকমত টেকনাফ পৌঁছান সে-ব্যাপারে খোঁজখবর রাখছি।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৪টি ট্রলারে ৪ শ’ মানুষ সেন্টমার্টিন ত্যাগ করেছেন। তার মধ্য তিনশ পর্যটক ছিলেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্বীপে দু’দিন ধরে আটকা পড়েছিলেন তারা।

এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকে থাকা পর্যটকরা সেন্টমার্টিনের হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

খুলনা থেকে সেন্টমার্টিন গিয়ে আটকে পড়েছিলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার দিল মোহাম্মদ। তিনি জানান, পাঁচ বন্ধু কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন গিয়ে আটকা পড়ি। আমাদের প্ল্যান ছিল রবিবার সেন্টমার্টিন থেকে ব্যাক করবো। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে দু’দিন অতিরিক্ত থাকতে হয়েছে। এই দু’দিন আমরা যে রিসোর্টে ছিলাম, সেখানে কোনো রিসোর্ট ভাড়া কিংবা খাবার হোটেলে ডিসকাউন্ট পাইনি। এসময়ে কেউ আমাদের খোঁজ নিতেও আসেনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মতো বাকি পর্যটকরাও সেন্টমার্টিন গিয়ে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছিলেন। প্রতিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিনের মানুষ পর্যটকদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করে। কিন্তু এবার কেন এ ধরনের ব্যবহার করা হলো বুঝতে পারছি না। আনন্দ করতে গিয়ে কষ্ট নিয়ে ফিরে এলাম।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ পারভেজ চৌধুরী জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে এসে আটকা থাকা পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছেন। তাদের যাতে অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *